লেপ-কাঁথা-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত বরগুনার কারিগররা

বিজনেসটাইমস২৪.কম
বরগুনা, ২৭ নভেম্বর, ২০১২:

সকালে ঘাঁসের ডগায় জমে থাকা শিশিরকণা জানিয়ে দিচ্ছে শীতের আগমন বার্তা। আর শীত এলেই যেন লেপ-তোশক প্রস্তকারী ধুনকারদের মাঝে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসে। তেমনি বরগুনার লেপ-তোশক প্রস্তকারী ধুনকাররা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। সেই সঙ্গে গ্রামের বিভিন্ন পরিবারে পড়ে গেছে কাঁথা সেলাইয়ের ধুম।

এলাকার লেপ-তোশক প্রস্তকারী বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, মালিক-শ্রমিক, ধুনকাররা এখন তুলা ধুনায়, লেপ-তোষক তৈরির সেলাইয়ের কাজে  ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ধুনকার, ব্যবসায়ীরা জানায়, ভালো মুনাফা এবং বেশি বিক্রির আশায় দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ক্রেতারাও লেপ-তোশক তৈরির জন্য ভিড় করছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, শীতের তীব্রতা বাড়লে লেপ-তোশক তৈরি ও বিক্রি হয় বেশি। বরগুনা জেলা শহরসহ ছয়টি উপজেলায় ৩শটির বেশি লেপ-তোশকের দোকান রয়েছে। এসব দোকানের কারিগররা এখন খুবই কর্মব্যস্ত ।

ইসরাফিল মিয়া নামের বেতাগী শহরের আর এক দোকান মালিক জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর লেপ-তোশকের দাম একটু বেশি পড়বে। কেননা এ বছর কাপড় ও তুলা বাড়তি দামে কিনতে হয়েছে।

এদিকে শীত মৌসুমের শুরুতেই জেলার বিভিন্ন গ্রাম্য পরিবারের গৃহবধূরা কাঁথা সেলাই শুরু করছেন। অনেক পরিবারই কাঁথা সেলাইয়ের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।

বৈঠাকাঠা গ্রামের মরিয়ম বেগম জানান, শহরের অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার শীত মৌসুম আসার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের কাছে কাঁথা সেলাই করে দেয়ার জন্য কাপড় সরবরাহ করেন। নকশা ভেদে এক একটি কাঁথা সেলাই করতে মজুরি বাবদ দেয়া হয় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। সাংসারিক ঝক্কি-ঝামেলা থাকলেও তার মতো অনেক গৃহবধূ কাজের ফাঁকে ফাঁকে এভাবে প্রতি বছর ১০ থেকে ১৫ টি কাঁথা সেলাই করে নগদ আয় করছেন।

মন্তব্য প্রদান করুন

*


*