কুটির শিল্পের উন্নয়নে বিসিক আইন সংশোধন হচ্ছে

বিজনেসটাইমস২৪.কম
ডেস্ক, ০২ অক্টোবর, ২০১৩:

untitled-12 copy_26304ক্ষুদ্র মাঝারি ও কুটির শিল্পের উন্নয়নে বাণিজ্যিক ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করা যাবে। তবে এ ঋণ সর্বোচ্চ ২০ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। এমনই বিধান, রেখে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন আইন সংশোধন করা হচ্ছে। বর্তমানে যে আইনটি রয়েছে তা ১৯৫৭ সালের। বর্তমান আইনের শেয়ার মূলধন ও শেয়ার হোল্ডারদের করপোরেশনের অনুমোদিত শেয়ার ইস্যু কিংবা বরাদ্দের বিষয়টি বিলুপ্ত করার প্রস্তাব উঠেছে। একই সঙ্গে বিলুপ্ত হতে পারে বিদ্যমান আইনের অনুমোদিত মূলধন বৃদ্ধি করার বিষয়টি।

সম্প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিএম জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিদ্যমান আইনের সংশোধনের বিষয়গুলো নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা থেকে পাওয়া মতামতের ওপরে পর্যালোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিসিকের বিদ্যমান আইনের ২৮টি বিষয়ের মধ্যে বেশ কিছু বিষয় বিলুপ্তির জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন কিছু বিষয় সংশোধন করা হয়েছে। নতুন সংযোজনের মধ্যে রয়েছেÑ করপোরেশনের পরিচালনা আয় ব্যয়ের উৎস, সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আর্থিক সাহায্য মঞ্জুরের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এর পাশাপাশি সরকারের পূর্ব অনুমোদনক্রমে করপোরেশনের প্রয়োজনে একক খাতভিত্তিক শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে নির্দিষ্ট এলাকা চিহ্নিত করা হবে। অর্থাৎ শিল্প নগরী কিংবা শিল্প পার্ক গড়ে তুলতে পারবেন। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র মাঝারি মাইক্রো ও কুটির শিল্পে অবকাঠামোগত সহায়তা দিতে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে।

নতুন সংযোজনের মধ্যে আরও সুপারিশ করা হয়েছে, কুটির শিল্প উন্নয়নের জন্য নকশা কেন্দ্র কিংবা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন করতে পারবে। যেখানে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ সেবা কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

এর পাশাপাশি সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে হস্ত ও কুটির শিল্পের জন্য শিল্প জোর হিসাবে ঘোষণা দিতে পারবে। করপোরেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কিংবা কোম্পানির পরিচালক দায়িত্ব পালনকালে যদি কোনো ধরনের ক্ষতিকারক কাজ করে তবে তা বোর্ডের কাছে দায়মুক্ত থাকবে। বিলুপ্ত হিসাবে সুপারিশ করা হয়েছে করপোরেশনের শেয়ার ধারণ ও হস্তান্তর পদ্ধতি।

বিদ্যমান আইনের সংশোধনীতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও মাইক্রো শিল্পের বিকাশের জন্য কোম্পানি কিংবা ফাউন্ডেশন গঠন করার সুপারিশ করা হয়েছে। বিদ্যমান আইনে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকে ঋণদানের কথা বলা হলেও সংশোধনী আইনে এর সঙ্গে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে মাঝারি, মাইক্রো শিল্প।

মন্তব্য প্রদান করুন

*


*