‘পেইনকিলারে’ উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি

বিজনেসটাইমস২৪.কম
ডেস্ক, ০৬ অক্টোবর, ২০১৩:

painkiller-0020131006043610জ্বর-ঠান্ডা-কাশি আর যেকোনো ব্যাথা, সবার আগেই মনে পরে প্যারাসিটামলের নাম। আরেকটি ব্যাথানাশক ঔষধ হলো আইব্যুপ্রোফিন। তবে এই প্যারাসিটামল আর আইব্যুপ্রোফেনের সংমিশ্রনেও তৈরি হচ্ছে কিছু ব্যাথানাশক ঔষধ।

বাজারে এগুলো কোম্বিফ্লাম, ফ্লেক্সন, ইব্যুক্লিন বিভিন্ন নামে বিক্রি হচ্ছে। অস্থিপেশীর ব্যথা নিরাময়ে এগুলো প্যারাসিটামল আর আইব্যুপ্রোফেনের চেয়ে খুব যে ভালো তা নয়।

বরং সংমিশ্রিত ঔষধ সেবনে পৃথকভাবে দুটি ঔষধ সেবনের তুলনায় বেশী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে। সংমিশ্রিত এসব ঔষধ সেবন শরীরের জন্যে আরো বেশি ক্ষতিকর বলে জানিয়েছে নিউ ইর্য়কের স্টোনি ব্রুক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ অধিদপ্তরের (ইউএসএফডিএ) এক প্রতিবেদন জানা যায়, টনসিল্যাক্টমি এবং অ্যাডেনোয়ডেক্টমির ব্যাথার জন্য শিশুদের ‘কোডিন’ সেবন করতে দেয়া হয়। কোডিন একবার সেবনের পরে এটি মরফিনে রূপান্তরিত হয়, ফলে শিশুমৃত্যুর মতো মর্মান্তিক পরিণতিও ঘটে। এছাড়া শ্বাসতন্ত্রে সমস্যা সৃষ্টি করে।

এই ঔষধ সেবনকারী মায়েদের দুধে মরফিনের উচ্চমাত্রার কারনে শিশু মৃত্যু ঘটে। এজন্যে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ান এমন মায়েদের এই জাতীয় ঔষধ সেবন না করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। মরফিনের বিষক্রিয়ার লক্ষণগুলো হলো শিশুর ঝিমুনিভাব,শ্বাস-প্রশ্বাসের অস্বাভাবিকতা এবং খাদ্যগ্রহণে অনাগ্রহ।

ব্যাথানাশক পাইরোক্সিকামের ব্যাপারে ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সি সাবধানবাণী উচ্চারণ করে বলেছেন, পাইরোক্সিকাম বাজারে ডোলোনেক্স, পাইরোক্স, স্যুগানরিল, ফেলডেক্স নামে পাওয়া যায়। এগুলোর বেশি ব্যবহারে ত্বকে এলার্জি হতে পারে।

মন্তব্য প্রদান করুন

*


*