শিরোনাম:

বাজেটে আলাদা বরাদ্দের দাবি পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের

বিজনেসটাইমস২৪.কম
, ২৫ মে, ২০১৪:
index-১আসছে বাজেটে পোল্ট্রি শিল্পকে অন্তত ২০২৫ সাল পর্যন্ত করমুক্ত এবং এই খাতের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাজেটে আলাদা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা।

শ্রেষ্ঠ ফিড লিমিটেডের পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের মোট আমিষের চাহিদার সবচেয়ে বড় অংশ পূরণ হচ্ছে পোল্ট্রি ও ডেইরি থেকে। এই খাতে প্রচুর গ্রোথের সম্ভাবনা রয়ে গেছে। কৃষির অন্যান্য ক্ষেত্রে যেমন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহায়তা রয়েছে, পোল্ট্রি খাতে এ ধরণের সহায়তার কোন ব্যবস্থা নেই।’

এদিকে, দেশে চাহিদার তুলনায় মৎস্যখাতের উৎপাদন ঘাটতি প্রায় ৪০ শতাংশ। তবে স্বাদুপানির মাছের আবাসস্থল সংরক্ষণ ও দেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্রসীমাকে কাজে লাগিয়ে ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি, ইউরোপসহ দূরপ্রাচ্যের বাজারে রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন গবেষকরা।

তারা বলছেন, দুধ, ডিম, মাছ ও মাংসের মতো প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বাড়লেও তা পর্যাপ্ত নয়। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, এ খাতে সম্ভাবনা রয়েছে অনেক। এজন্য দেশের বিশাল সমুদ্র এলাকার সুষ্ঠু ব্যবহার ও পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাজেটে আলাদা বরাদ্দের পরামর্শ তাদের। দেশের প্রায় ১৬ কোটি মানুষের আমিষের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেলেও জিডিপিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপখাতের অবদান প্রায় ৮ শতাংশ, যা মোট কৃষিজ আয়ের ৩৫ হতে ৪০ শতাংশ। তবে পোল্ট্রি শিল্প, সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচিত হলেও, মড়কসহ যে কোনো ঝুঁকি মোকাবেলায় থাকে না সরকারি হস্তক্ষেপ। এমনকি নেই সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থাও।

শিক্ষক ও গবেষক আব্দুল্লাহ-আল-মাসুদ বলেন, ‘মাছের ঘাটতি এখনও ৪০ শতাংশের উপরে। আবাসস্থল ধ্বংস হওয়ার ফলে মাছের উৎপাদন প্রাকৃতিকভাবে মারাত্মকভাবে কমে গেছে। কাঁকড়া, কুচিয়া ছাড়াও গভীর সমুদ্রের মাছ টুনা এবং ম্যাকারেলের চাহিদা সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে রয়েছে।’

আর দেশি ও আন্তর্জাতিক বাজারে সামুদ্রিক মাছের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সরবরাহের সঙ্গতি রাখতে সরকারি নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিচ্ছেন এ খাতের সাথে জড়িতরা।

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির এক্স ক্যাডেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি স্কিপার আহমেদ সাজ্জাদ হায়দার বলেন, ‘আমাদের বঙ্গোপসাগরের যে ফিশিং গ্রাউন্ডগুলো আছে এগুলোর সঠিক জরিপ, এবং মৎস্য নীতিমালার আশু বাস্তবায়ন ও সঠিক প্রয়োগ একান্তভাবে প্রয়োজন।’

মন্তব্য প্রদান করুন

*


*