২০১৮’র শুরুতেই দ্বিতল পদ্মা সেতু, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: যোগাযোগমন্ত্রী

বিজনেসটাইমস২৪.কম
মাদারীপুর, ২৪ জুন, ২০১৪:

Kader“২০১৭ সালের শেষ ভাগে নভেম্বর, ডিসেম্বর অথবা ২০১৮ সালের শুরুতেই দ্বিতল পদ্মা সেতু চালু হবে। ২০১৮ সালই আমাদের মূল লক্ষ্য। আর এ এলাকাতেই নির্মিত হবে আন্তজার্তিক মানের একটি বিমানবন্দর। প্রধানমন্ত্রী আমাদের এ ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।”

আজ মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুরের শিবচরে বাখরেরকান্দি পদ্মা সেতু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে মূল সেতুর কাজ দ্রুত শুরুর জন্য অধিগ্রহণকৃত এলাকার ঘরবাড়িসহ স্থাপনা দ্রুত স্থানান্তরের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসব কথা বলেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মন্ত্রী এ সময় সেতু বিভাগ, সেতু কর্তৃপক্ষ, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পদ্মা নদীর শিবচর, জাজিরা পাড়ের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের নিয়ে সভা করেন। মন্ত্রী সেতুর অধিগ্রহণকৃত এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা স্থানান্তর, ক্ষতিপূরণের খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত সবকিছু করার তাগিদ দেন সংশ্লিষ্টদের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মোজ্জামেল হক, পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার জিল্লার রহমান, মাদারীপুর জেলা প্রশাসক জি এস এম জাফর উল্লাহ, পুলিশ সুপার খোন্দকার ফরিদুল ইসলাম, শিবচর উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হুসাইন, ওসি বেলায়েত হোসেন প্রমুখ। পরে মন্ত্রী পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়কের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।

যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, “আমাদের পর্যাপ্ত বৈদেশিক রিজার্ভ ফান্ড রয়েছে। প্রতিবছর ফান্ড বাড়ছে। এই ফান্ড থেকে প্রতি বছর এক বিলিয়ন ডলার সেতুর জন্য খরচ করা হবে। মূল সেতুর টেন্ডার পাওয়া চায়না মেজর বিশ্বব্যাংকের কোয়ালিফাই কম্পানি। যারা বিশ্বের বড় বড় সেতু নির্মাণ করছে। আমাদের দেশের পাকশী, কর্ণফুলী সেতুও এরা করেছিল।

বিশ্বব্যাংকের যাচাই বাছাইকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকেই নদী শাসনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হবে। বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্তগুলো মেনেই আমরা কাজ করছি। এখানে সরকার শুধু টাকা দেবে।”

মন্তব্য প্রদান করুন

*


*