সরকারের উদ্দেশ্যে মির্জা আলমগীর

র‌্যাব-পুলিশ বাদ দিয়ে রাজপথে নামুন

বিজনেসটাইমস২৪.কম
ঢাকা, ০৬ জুলাই, ২০১৪:

faqrulক্ষমতাসীন সরকারকে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণে র‌্যাব-পুলিশ বাদ দিয়ে রাজপথে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রবিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত জয়নুল আবদিন ফারুককে হত্যা চেষ্টার তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবাদী নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে পরিত্যক্ত দলে পরিণত হয়েছে। সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই। তারা জনবিছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেই জন্যই আওয়ামী লীগের নেতারা অবাস্তব, অবান্তর বক্তব্য দিচ্ছে। তাদের বক্তব্যেই প্রমাণ হয় আওয়ামী লীগ পরিত্যক্ত দলে পরিণত হয়েছে।

‘খালেদা জিয়া জঙ্গি ও সন্ত্রাসের সমার্থক। তাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে হবে’ তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা আলমগীর বলেন, আপনারা যে ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করছেন, তা আমরা জানি। তাই খালেদা জিয়ার বিন্দু পরিমাণ ক্ষতি করার চেষ্টা করা হলে এর দায়-দায়িত্ব এই অবৈধ সরকারকেই নিতে হবে।

মির্জা আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদকে জোর করে হাসপাতালে ভর্তি করে ছলচাতুরীর মাধ্যমে তামাশার নির্বাচন করে ক্ষমতায় এসেছে।

তিনি বলেন, সরকার থেকে আওয়ামী লীগকে বিদায় করতে হবে। এজন্য গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিকল্প নেই। তাই নেতাকর্মীদের সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান জানান তিনি।

মির্জা আলমগীর সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলেন, এখনো সময় আছে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় যেকোনো পরিস্থির দায়-দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আমি বিশ্বাস করি বেগম খালেদা জিয়ার আন্দোলনের পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে পারে না। অতীতেও  স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ব্যর্থ হয়নি, এবার ও হবে না। অচিরেই আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা হবে।

অনুষ্ঠারে যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর যে হামলা হয়েছিল তা শুধু ফারুকের ওপর নয়, এই হামলা জাতীয় সংসদ, গণতন্ত্র ও বিরোধী মতের ওপর করা হয়েছিল। এটা জাতির জন্য কলঙ্ক।

স্বাধীনতা ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবু নাসের রহমতুল্লাহর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, নির্বাহী কমিটির সদস্য খালেদা ইয়াসমিন প্রমুখ।

মন্তব্য প্রদান করুন

*


*