এসো হে বৈশাখ, এসো এসো …

বিজনেসটাইমস২৪.কম
, ১৪ এপ্রিল, ২০১২:

বিজনেসটাইমস২৪.কম
ঢাকা, ১৪ এপ্রিল :

পহেলা বৈশাখ নিয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রার্থনা ছিল ‘এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ/ তাপস নিঃশ্বাস বায়ে… মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক…./ মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা/ অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’

ধরাকে শুচি করতে পুরনো জরাজীর্ণকে ঝেড়ে ফেলে আমাদের যাপিত জীবনে নতুন সম্ভাবনা ও নতুন প্রত্যাশা জাগিয়ে আসছে নতুন বছর- ১৪১৯।

পহেলা বৈশাখ, বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় বর্ষবরণের আনন্দে, হালখাতার নবায়নে আজ জীবনে নতুন স্বপ্ন সাজানোর দিন। বাঙালির জীবনে ঐতিহ্যের রঙ আর রূপ নিয়ে আসে পহেলা বৈশাখ। বাঙালির জীবনে সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক সার্বজনীন উৎসব এই বৈশাখ।

বাংলা ও বাঙালির লোকজ সংস্কৃতির মূল বিষয়টি হল, উৎসবের মধ্য দিয়ে আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। সেই উৎসবের মধ্য দিয়েই প্রকাশ পায় বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা, কৃষ্টি ও গৌরব। আবহমান বাংলার হাজার বছরের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় বাঙালি বরণ করে নতুন বছরকে। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে বাঙালি তার আপন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আলোকে জাতিসত্তার পরিচয়কে নতুন তাৎপর্যে উপলব্ধি করে গৌরব বোধ করে। এই গৌরব ও চেতনাই বাঙালিকে প্রেরণা জুগিয়েছে আপন অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।

বাংলা সনের প্রবর্তন কবে হয়েছিল, কে তার প্রবর্তক, তা নিয়ে পণ্ডিতমহলে আছে নানা বিতর্ক। বেশির ভাগ মানুষেরই মত, মোগল সম্রাট আকবর এর প্রবর্তক। তিনি ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দে, হিজরি ৯৬৩ সালে যে ‘তরিক-ই-ইলাহি’ নামের নতুন সনের প্রবর্তন করেছিলেন দিল্লিতে, তখন থেকেই আঞ্চলিক পর্যায়ে বাংলা সনের গণনা শুরু হয়েছিল। তবে রাজা শশাঙ্ক, সুলতান হোসেন শাহ ও তিব্বতের রাজ স্রংসনকেও বাংলা সনের প্রবর্তক বলে মনে করেন কেউ কেউ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউট থেকে প্রতি বছর যে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়, তার সূচনা ১৯৮৯ সালে। তারও আগে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয় যশোরে, ১৯৮৭ সালে। চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রা এখন ঢাকাবাসীর কাছে নববর্ষ উৎসবের একটি প্রধান আকর্ষণ। তাছাড়া ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বর, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, শিশু একাডেমী, শিল্পকলা একাডেমী, শহীদ মিনার, জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ঢাকা ক্লাব, গুলশান ক্লাব, উত্তরা ক্লাব, লেডিস ক্লাব, অফিসার্স ক্লাব ও পুরান ঢাকাসহ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে নববর্ষের নানা ব্যঞ্জনা ও উৎসব।

শুধু তাই নয়, বাঙালির এই সার্বজনীন বৈশাখী অনুষ্ঠানের নতুন মাত্রা যোগ করেছে ‘বৈশাখী ফ্যাশন’। বৈশাখকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের ফ্যাশন হাউসগুলো ২-৩ মাস আগ থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে। রঙ-বেরঙের নানা ডিজাইনের শাড়ি, ফতুয়া, সালোয়ার-কামিজ ও শিশু পোশাকের বেচা-বিক্রিও অকল্পনীয়। জমজমাট প্রতিটি ফ্যাশন হাউস।

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ সব শ্রেণী-পেশার সব বয়সী মানুষের মনের গভীরে দারুণভাবে রেখাপাত করে এই পহেলা বৈশাখ। গ্রামবাংলার বৈশাখী মেলা শহরাঞ্চলেও সম্প্রসারিত হয়েছে। রমনার অশ্বত্থমূলে ১৯৬৭ সালে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার নবউন্মেষকালে ছায়ানট সেই যে কাকডাকা ভোরে রবীন্দ্রনাথের নববর্ষ বরণের আবাহনী গান গেয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল, সেটি আজ রাজধানীবাসীর সবচেয়ে বড় উৎসবের কেন্দ্র। রমনা এখন নববর্ষে লোকারণ্য। সমগ্র রাজধানীর পথ মিশে যাবে রমনায় এসে।

আধুনিক জীবনে নানা উপাচারের সমারোহে খেরোখাতায় হিসাব রাখার প্রচলন এখন উঠেই গেছে। তবু বাঙালির চিরায়ত উৎসবের দিন পহেলা বৈশাখে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে হালখাতা। মিষ্টিমুখ করানো হবে ক্রেতাদের। বিশেষ করে পুরান ঢাকায় হালখাতা চলবে পঞ্জিকার নববর্ষ হিসাবে রোববারেও। আড্ডা, আমন্ত্রণ, উচ্ছ্বাসে কেটে যাবে দিনটি। বিশেষত, ঢাকায় শহুরে নাগরিকদের গৎবাঁধা জীবনযাত্রায় যোগ হবে ভিন্নতার স্বাদ। সকালেই নগরবাসী ঘর থেকে বেরিয়ে পড়বে সুসজ্জিত হয়ে। নারীরা পরবেন লাল-সাদা শাড়ি, পুরুষের পরনে নকশা করা পাঞ্জাবি ও ফতুয়া। বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকবে গালে, বাহুতে আলপনা আঁকা ফুটফুটে শিশুরা।

রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়া নববর্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পৃথক বাণী এবং দেশবাসীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নববর্ষ উপলক্ষ্যে বিটিভি, বাংলাদেশ বেতার, বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও দৈনিক পত্রিকাগুলোতে রয়েছে নববর্ষের বর্ণাঢ্য বিশেষ আয়োজন।

দিনটি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। শহরজুড়ে থাকবে নানা আয়োজন। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্ক থেকে সকাল সাড়ে সাতটায় এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করবে। এতে জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। সম্মিলিত সাংস্কৃতি জোট পয়লা বৈশাখের দিন বিকাল ৪টায় ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে আয়োজন করবে একক ও দলীয় লোকসঙ্গীত, আবৃত্তি ও নৃত্যনাট্য মহুয়ার পালা। বাংলা একাডেমী সকাল আটটায় একাডেমীর নজরুল মঞ্চে বর্ষবরণের সঙ্গীত দিয়ে দিবসটি উদযাপন করতে যাচ্ছে। তারপর আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রেখেছে।

বর্ষবরণ উপলক্ষে চ্যানেল আই ও সুরের ধারা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজন করেছে হাজারও কণ্ঠে বরণের অনুষ্ঠান। সকাল সাতটা থেকে শুরু হবে অনুষ্ঠান। সবার জন্য উন্মুক্ত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন হাজারও কণ্ঠশিল্পী। তারা গান করবেন সম্মিলিত কণ্ঠে। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বরেণ্যশিল্পীদের মধ্যে অংশ নেবেন- রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমিন, ফেরদৌস আরা, কনকচাঁপা, সৈয়দ আব্দুল হাদী, কিরণ চন্দ্র রায়, রফিকুল আলম, ফরিদা পারভীন, আবিদা সুলতানা, আইয়ূব বাচ্চু প্রমুখ।

মগবাজারস্থ নজরুল একাডেমী বর্ষবরণ উপলক্ষে বিকাল পাঁচটায় একাডেমী প্রাঙ্গণে আয়োজন করেছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি নববর্ষ উপলক্ষে শনিবার থেকে দুদিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাপ্রাঙ্গণে। খেলাঘর ঢাকা মহানগর শিশুদের জন্য বৈশাখী উৎসবের আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের আমতলায়। সেখানে শিশুরা পরিবেশন করবে নাচ, গান, আবৃত্তি ও অভিনয়। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সকাল নয়টায় জাদুঘর প্রাঙ্গণে শিশু-কিশোরদের আনন্দ-আয়োজনে নৃত্য, লোকগান ও বাউল গানের পরিবেশনা রেখেছে।

জাতীয় প্রেসক্লাব বর্ষবরণে তাদের সদস্য ও পরিবারবর্গের জন্য সকাল থেকেই খৈ, মুড়ি-মুড়কি, বাতাসা ও পান্তা ইলিশের আয়োজন রেখেছে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিও অনুরূপ আয়োজন রেখেছে তাদের সদস্য ও পরিবারদের জন্য।

বাংলাদেশ কুটির শিল্প কর্পোরেশন এবং বাংলা একাডেমী যৌথভাবে একাডেমী প্রাঙ্গণে আয়োজন করেছে ১০ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ নিজস্ব প্রাঙ্গণে শিশুদের অংশগ্রহণে সকাল ৯টা থেকে দিনব্যাপী বর্ষবরণানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সকাল সাতটায় গানের মাধ্যমে নতুন বছরকে আবাহন জানাবে। তারপর সকাল ৯টায় শোভাযাত্রা, সাড়ে ১১টায় লাঠিখেলা, বিকাল সাড়ে তিনটায় পদ্মার নাচন ও অষ্টক গান, সন্ধ্যায় পদাবলী কীর্তন, রাত ৮টায় নাটকের পরিবেশনার মাধ্যমে বর্ষকে বরণ করে নিবে। জাতীয় কবিতা পরিষদ বিকাল চারটায় পাবলিক লাইব্রেরির উন্মুক্ত মঞ্চে কবিতা উৎসবের আয়োজন করেছে। গেন্ডারিয়া কিশলয় কচি-কাঁচার মেলা নিজস্ব প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এতে শিশুদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছাড়াও ছবি আঁকা ও প্রদর্শনী এবং ইলিশ পান্তাসহ মুড়ি-মুড়কির ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাবেসক লীগ, জয়বাংলা সাংস্কৃতিক ঐক্যজোটসহ বিভিন্ন সংগঠন দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে নববর্ষের।

পরিবেশবাদী নাগরিক সংগঠন ‘নির্ভীক’ সকাল নয়টায় নারায়ণগঞ্জের চাঁনমারী এলাকায় বসবাসরত ছিন্নমূল পরিবারের শিশুদের নিয়ে এক বর্ষবরণ উৎসবের আয়োজন করেছে। ওই উৎসবে অংশগ্রহনকারী সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের চিত্ত বিনোদনের জন্য রয়েছে গ্রাম বাংলার ঐতিজ্য ও সংস্কৃতিতে লালিত ক্রীড়া ও সংগীত প্রতিযোগীতা।

রাজধানীর বনানীতে উৎসবের আয়োজন করেছে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। ‘বেঙ্গল বৈশাখী উৎসব’ নামে এই অনুষ্ঠানে দুদিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রবীন্দ্র ও নজরুল সঙ্গীতসহ পঞ্চকবির গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা। পাশাপাশি চলে শিশুদের সম্মিলিত সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে লোকমেলার। গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা বিভিন্ন অনুষঙ্গ নিয়ে হাজির হয়েছেন কারিগরেরা। মাটির হাড়ি, শীতল পাটির কারুকার্য থেকে বাঁশের বাঁশি, যেন শহরের বুকে ছোট্ট এক গ্রাম। যেখানে বাঁশির কারিগরও হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা।

কেবল রাজধানীই নয়, এর বাইরেও চলেছে বর্ষবরণের প্রস্তুতি। আমাদের জেলা প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, এ উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, শিল্পকলা একাডেমী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, রেড ক্রিসেন্ট, উপজেলা প্রশাসন সহ সকল সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।

বাংলা ১৪১৮ সালকে বিদায় এবং নববর্ষ ১৪১৯ বরণকে কেন্দ্র করে তিন পার্বত্য জেলার আদিবাসী সম্প্রদায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজনের মধ্য দিয়ে ব্যাপক অনুষ্ঠানমালা পালন করছে।

এদিকে, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে পয়লা বৈশাখে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন জানিয়েছেন, বাংলা নববর্ষ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে পালন করতে পারে সে জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে নতুন আশায় বুক বেঁধে, চোখে নতুন স্বপ্ন নিয়ে বাঙালি বরণ করবে নতুন বছরকে। চিরাচরিত ঐতিহ্যানুযায়ী ধর্ম, বর্ণ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলে মিলে মেতে উঠবে বৈশাখী উৎসবে। অন্তরে থাকবে কবি নজরুলের সেই গান ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর/ তোরা সব জয়ধ্বনি কর/ ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কাল বৈশাখীর ঝড়…।’

এই সুরধ্বনির মধ্যদিয়েই বাঙালি পুরনো বছরের সকল অপ্রাপ্তি ভুলে গিয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি আত্মমর্যাদাসম্পন্ন গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক, সুখীসমৃদ্ধ দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়েই বাঙালি পালন করবে বৈশাখী উৎসব। স্বাগত পহেলা বৈশাখ, স্বাগত ১৪১৯।

Print Friendly