ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দরপতন হয়েছে। তবে আগের কার্যদিবসের চেয়ে লেনদেনের পরিমাণ সামান্য বেড়েছে।
মঙ্গলবার লেনদেন শেষে ডিএসইতে ২০৪টি প্রতিষ্ঠানের দাম ও সাধারণ সূচক কমেছে ১০৫ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে মোট ৩৭৮ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আগের কার্যদিবস সোমবার লেনদেন হয়েছিল ৩৫৬ কোটি টাকা।
এদিন লেনদেনের শুরুতে ডিএসইর মূল্যসূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটে অর্থাৎ বেলা ১১টা ৫ মিনিটে ডিএসইর সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৫৫ পয়েন্টে, বেলা ১১টা ১০ মিনিটে ৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৬৪ পয়েন্টে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বমুখী হয় সূচক। বেলা সোয়া ১১টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১৭৩ পয়েন্টে, দুপুর ১২টায় ১৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১৮৭ পয়েন্টে উঠে আসে। এরপর ফের নিম্নমুখী হয় সূচক। দুপুর সাড়ে ১২টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ১৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৫৫ পয়েন্টে, ১টা ৫ মিনিটে ৩৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৩১ পয়েন্টে, দেড়টায় ২৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৪০ পয়েন্টে, ২টা ২০ মিনিটে ৭২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৯৫ পয়েন্টে স্থির হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর সাধারণ সূচক ১০৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬৩ পয়েন্টে পোঁছেছে।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৪টির, কমেছে ২০৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টির দাম।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) ডিএসইর শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় উঠানামা করে- লংকাবাংলা ফিন্যান্স, বেক্সিমকো, সিটি ব্যাংক, গ্রামীণফোন, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, জিপিএইচ ইস্পাত, লাফার্জ সুরমা, কনফিডেন্স সিমেন্ট, কেয়া কসমেটিকস ও যমুনা অয়েল।
অন্যদিকে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ১৬২ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৫৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেন হয়েছে মোট ৩৬ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।





