বিজনেসটাইমস২৪.কম
রাজশাহী, ১০ মে:
সালার সেচপাম্প চালুর মাধ্যমে নতুন সূচনার দিক উন্মুক্ত হলো কৃষিতে।
দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়নে ও রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহায়তায় উপজেলার মির্জাপুর ও মা-ইলে সোলার সেচপাম্প ২টি স্থাপন করার পর বৃহস্পতিবার তা চালু করা হয়।
মির্জাপুর সোলার সেচপাম্প পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবু বাক্কার বাংলানিউজকে বলেন, ‘একেকটি সোলার সেচপাম্প বসাতে খরচ হয়েছে ৬৮ লাখ টাকা। একেকটি সোলার সেচপাম্পের অধীনে ২৫ বিঘা করে জমি চাষের কথা থাকলেও অন্তত ৫০ বিঘা জমি চাষ করা যাবে। বছরে সোলার সেচপাম্প সার্ভিসিং বাবদ পল্লী বিদ্যুৎকে ১১ হাজার টাকা করে ৩০ বছর পর্যন্ত কৃষকদেরকে টাকা দিতে হবে। এজন্য প্রতিটি সেচপাম্পের আওতায় থাকা কৃষকরা একটি সমিতি করে সেচচার্জ নির্ধারণ করবেন।’
রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মেসবাহুল হক বলেন, ‘সোলার প্যানেলের বিদ্যুত ধারণ ক্ষমতা ৫.১৬ কিলোওয়াট। আর সেচপাম্পের মর্টারের ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ৩.৭ কিলোওয়াট।একটি সেচপাম্প ১ মিনিটে ৩শ লিটার পানি উত্তোলন করবে। তবে সেচপাম্পটি রাতে চালানো যাবে না। প্রতিদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সেচপাম্প চালানো যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গভীর নলকূপের সেচচার্জের তুলনায় সোলার সেচপাম্পের আওতায় কম মূল্যে বোরো ধান চাষ করা সম্ভব হবে। সোলার সেচপাম্পের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়াতে কৃষি কাজের জন্য সোলার সেচপাম্প চালু রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার মতো বাংলাদেশেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করতে সোলার সেচপাম্প স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ সরকার দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।’




