বিজনেসটাইমস২৪.কম
নীলফামারী, ১৩ মে :
শুল্ক মৌসুম ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ময়েজ উদ্দিন (৬০) প্রতিবারই গম, ভুট্টা, সরিষা ছাড়াও নানারকম ফসল জমিতে চাষাবাদ করে থাকেন। তাতে দামও বেশ ভালো পান। কিন্তু এবার তিনি অন্যান্য ফসলের চেয়ে বোরো আবাদে গুরুত্ব দিয়েছেন বেশি। ফলনও হয়েছে ভালো। আর কদিন পরেই এই বোরো ধান কৃষকের গোলায় উঠবে। শুধু ময়েজ উদ্দিনের ঘরেই নয়, এ আনন্দ উত্তরের প্রতিটি উপজেলায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে । ধানের আবাদ এবার ভালো হয়েছে এবং আবাদে যতটুকু ব্যয় হয়েছে তার পুরোটাই উঠে আসবে বলে জানালেন এক চাষি।
জলঢাকা উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, এবার যে পরিমাণ ফসল উৎপাদন হয়েছে তাতে করে প্রায় ২০০ কোটি টাকার ফসল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের আটটি জেলার ৩৫টি উপজেলার কৃষকরা ১৩ লাখ একর জমিতে সেচ সুবিধা পায়। উত্তরাঞ্চলের বৃহৎত্তর রংপুর, দিনাজপুর ও বগুড়া জেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ পানি নিস্কাশন সেচ সুবিধা প্রদানে কাজ করছে বাংলাদেশের বৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ। ১৩.৩৫ লাখ একর জমি এ মৌসুমে সেচ সুবিধা পেয়েছে। উৎপাদনের সম্ভাবনা প্রায় ১৪.৫০ লাখ মে.টন ধান। কৃষকের ঘরে সোনালী ফসলের ঝিলিক থাকলেও অশনি সংকেত দেখা দিয়েছে দাম নিয়ে। জলঢাকা উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বলেন, গতবারের চেয়ে জলঢাকাসহ গোটা উত্তরে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ১ লাখ ৪৪ হাজার বর্গ কি.মি. ছোট এই দেশটিতে বিশাল এই জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা মেটাতে সম্ভাবনাময় প্রায় ২শ কোটি টাকার ফসল খুবই অপ্রতুল।
উত্তরে বোরোর বাম্পার ফলন , ২শ কোটি টাকার ফসল উৎপাদনের সম্ভাবনা
বিজনেসটাইমস২৪.কম, ১৩ মে, ২০১২:




