বিজনেসটাইমস২৪.কম
ঢাকা, ১১ জুন
জাতীয় সংসদে আজ চলতি ২০১১-১২ অর্থবছরের জন্য ৮ হাজার ৮৮০ কোটি ৪৭ লাখ ২৯ হাজার টাকার সম্পূরক বাজেট পাস হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ৭ জুন এই সম্পূরক বাজেট উত্থাপন করেন।
আজ সোমবার অর্থমন্ত্রী উত্থাপিত নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল-২০১২ পাসের মধ্য দিয়ে এই সম্পূরক বাজেট পাস হয়।
চলতি অর্থবছরের জন্য মূল বাজেটে মোট বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৬৩ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে মোট বরাদ্দ দাঁড়ায় ১ লাখ ৬১ হাজার ২১৩ কোটি টাকা।
চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লাখ ২৩ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ১৯ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা কম।
সম্পূরক বাজেটে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৫০ লাখ ৫৯ হাজার টাকা এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ে ১ হাজার ৮৫৩ কোটি ৮৫ লাখ ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া বিদ্যুৎ বিভাগ খাতে ৩১ কোটি ৫৯ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ খাতে ১ হাজার ২৯২ কোটি ৫৯ লাখ ২৩ হাজার টাকা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় খাতে ৫৮৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে ১৪৬ কোটি ২০ লাখ ৯ হাজার টাকা, প্রতিরক্ষা খাতে ১৮৫ কোটি ১৪ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খাতে ১২৫ কোটি ৫১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, শিল্প মন্ত্রণালয় খাতে ২৫৯ কোটি ৮০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ১০৭ কোটি ৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
এদিকে চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি খাতে বরাদ্দ ছিল ৪৬ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা ৪১ হাজার ৮০ কোটি টাকা করা হয়।
চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ২২টি মন্ত্রণালয় বিভাগে বরাদ্দ ৮ হাজার ৮৮০ কোটি ৪৭ লাখ ২৯ হাজার টাকা বৃদ্ধি এবং ৩৭টি মন্ত্রণালয় বিভাগে বরাদ্দ ১২ হাজার ১৮১ কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে। সার্বিকভাবে চলতি অর্থবছরে মূল বাজেট থেকে সংশোধিত বাজেটে ২ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে।
আজ সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে ২০টি মঞ্জুরি দাবি উত্থাপন এবং কণ্ঠভোটে তা পাসের মধ্য দিয়ে সম্পূরক বাজেট পাস হয়।
এর আগে সম্পূরক বাজেটের ওপর বিরোধী দলের পক্ষ থেকে ১২ জন সংসদ সদস্য ২২৮টি ছাঁটাই প্রস্তাব আনা হয়। তবে প্রধান বিরোধী দল অনুপস্থিত থাকায় স্বতন্ত্র সদস্য মোঃ ফজলুল আজিমের ৪টি মন্ত্রণালয়ের ওপর দেয়া ৪টি ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হয়। তবে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।




