মঙ্গলবার অমনিবাস নিয়ে বৈঠক

বিজনেসটাইমস২৪.কম
, ১৮ জুন, ২০১২:

বিজনেসটাইমস২৪.কম
ঢাকা, ১৮ জুন:

অমনিবাস জটিলতা নিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার বৈঠকে বসছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

কর্তৃপক্ষের আশা, মার্চেন্ট ব্যাক ও ব্রোকারেজ হাউজগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে জটিলতা নিরসন করা সম্ভব হবে।

জানা গেছে, কয়েকবার এমএসএ প্লাস সফটওয়্যার চালুর ঘোষণা দিয়েছিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে চালু করতে ব্যর্থ হয়।

তবে সম্প্রতি তারা ২৩টি হাউজে ট্রেডিং চালু করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু এখনও অমনিবাস হিসাবগুলো লেনদেনের বাইরে রয়েছে।

অমনিবাস একাউন্ট: অমনিবাস একাউন্ট হলো- মার্চেন্ট ব্যাংকের এক একটি অমনিবাস বা ইনভেস্টরস একাউন্টে কয়েক শ’ বিনিয়োগকারীর শেয়ার লেনদেন করা হয়।

বিনিয়োগকারীরা মার্চেন্ট ব্যাংকের দেয়া একটি নম্বরের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করেন। ফলে ওই হিসাবের আওতাধীন কোন বিনিয়োগকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশে (সিডিবিএল) থাকে না বা রাখা সম্ভব হয় না।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছে, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশের (সিডিবিএল) সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকায় এসইসির প্রত্যক্ষ নজরদারির বাইরে থেকেই শেয়ার লেনদেন করছেন মার্চেন্ট ব্যাংকের বিনিয়োগকারীরা।

অমনিবাস হিসাবের আওতায় শেয়ার ব্যবসায় যুক্ত বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বা অর্থ লেনদেনের কোনো তথ্য এসইসির পক্ষে জানা সম্ভব হয় না। শেয়ার লেনদেনে এ ধরনের ব্যবস্থাকে শেয়ারবাজারের স্বচ্ছতার পরিপন্থী মনে করেন তারা।

এসব হিসাব বিলুপ্ত করে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য আলাদা বিও হিসাব খোলা হলে কারসাজির সুযোগ বন্ধ করে শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি হবে বলে তারা মনে করেন।

তবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বলছে, অমনিবাসের পরিবর্তে আলাদা বিও খোলা হলে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে মার্জিন ঋণের হিসাব সংরক্ষণের জন্য অমনিবাস সুবিধাজনক।

তাছাড়া প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য আলাদা বিও হিসাব খুলতে হলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট (ডিপি) লাইসেন্স নিতে হবে। পাশাপাশি নতুন ডিপি যুক্ত করতে সিডিবিএলের সফটওয়্যার আপডেট করতে হবে।

Print Friendly

মন্তব্য প্রদান করুন

*


*