বিজনেসটাইমস২৪.কম
ঢাকা, ২৩ জুন :
গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল বলেছেন ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের ওপর অন্যায় আচরণ করা হচ্ছে। দেশের ১৬ কোটি মানুষের উচিত এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া ।
তিনি বলেন, যেকোনো অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ করা আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য। আমাদের নিরাশ হবার কোনো কারণ নেই। আমরা পরাজিত জাতি নই। সংকটময় মুহূর্তে প্রয়োজনে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেছি। কারণ অন্ধকারের কাছে এ জাতি কখনো আত্মসমর্পণ করেনি।
আজ শনিবার সকালে নোবেল জয়ী ইউনূস সুহৃদ, চট্টগ্রাম আয়োজিত ‘গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যত: আমাদের শঙ্কা’ শীর্ষক এক আলোচনা ড. কামাল এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সুহৃদের সভাপতি ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রফেসর সিকান্দর খান।
মুক্তিযোদ্ধা ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীকের সঞ্চলনায় এতে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আসিফ নজরুল, বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট সাদেক খান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন, সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডি এ এ কোরেশী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার সুলতান মাহমুদ ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. ফজলুল করিম।
ড. কামাল হোসেন বলেন, শেয়ার বাজার, দুর্নীতি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও আইন-শৃঙ্খলাসহ এত সমস্যা থাকতে গ্রামীণ ব্যাংক আর ড. ইউনূস কেন সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াল এটা আজ একটা বড় প্রশ্ন। আমরা হতভম্ব, কেন একটা ভালো মানুষকে নিয়ে এ ধরনের হীন চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক মামলায় ড. ইউনূস ও ব্যাংকের পক্ষ থেকে উত্থাপিত যুক্তি ও বক্তব্যের বিপরীতে সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে লিখিত জবাব দেবার পরিবর্তে শুধু বলা হলো, তার আদালতে আসার এখতিয়ার নেই। অথচ সংবিধানের ১০৪, ৪৪ অনুচ্ছেদ মোতাবেক আইনের আশ্রয় লাভ যেকোনো সংক্ষুব্ধ নাগিরিকের মৌলিক অধিকার বলে ড. কামাল মন্তব্য করেন।




