বিজনেসটাইমস২৪.কম
ঢাকা, ২৮ জুন :
ঈদকে সামনে রেখে প্রতিবারই বেড়ে যায় নতুন নোটের কদর। সালামি, ঈদ উপহার, দানখয়রাত সবকিছুতেই নতুন টাকা বাড়তি আনন্দ যোগ করে। এছাড়া অন্যান্য সময়ের তুলনায় ঈদে কেনাকাটা বেড়ে যাওয়ায় টাকার চাহিদা বেশি থাকে।
প্রতিবারের মতো এবারও চাহিদার বিপরীতে যোগান ঠিক রাখতে প্রায় দেড়হাজার কোটি টাকার নতুন ব্যাংক নোট সরবরাহের প্রস্তুতি নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিভিন্ন মূল্যমানে এসব নোটের সবগুলোতেই থাকবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি।
বর্তমানে দেশে বিভিন্ন মূল্যমানের ৮ ধরণের কাগুজে নোট প্রচলিত রয়েছে। জাতির জনকের প্রতিকৃতি সম্বলিত নতুন ২, ৫, ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট প্রথমবারের মতো বাজারে ছাড়া হয় গত বছরের ১১ আগষ্ট। চলতি বছরের ৭ মার্চ বাজারে ছাড়া হয় ১০, ২০ ও ৫০ টাকার নতুন নোট।
বাংলাদেশ ব্যাংক কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট অ্যাণ্ড পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের নির্বাহী পরিচালক দাসগুপ্ত অসীম কুমার বিজনেসটাইমসকে জানান, ব্যাংকগুলো যাতে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ সরবরাহ করতে পারে সেজন্য ঈদের আগে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার নতুন নোট সরবরাহের পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য প্রতিদিনই নতুন নোট ছাপিয়ে কাঙ্খিত মজুদ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ঈদের আগে নতুন জামাকাপড় থেকে শুরু করে খাদ্যদ্রব্য সব কেনাকাটায় নগদ টাকার চাহিদা বেড়ে যায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় সালামি ও দান খয়রাতের বিষয়টি। সালামি ও দান খয়রাতের টাকা নতুন নোটে হলে ঈদের আনন্দের অন্ত থাকে না।
দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের খরচ বেড়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঈদ আসলে মানুষের কেনাকাটা বৃদ্ধির সঙ্গে জিনিসপত্রের দামও বাড়বে। ফলে ব্যাংক থেকে মানুষের নগদ টাকা তোলা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
অসীম কুমার আরো জানান, এখনই ব্যাংকগুলো দৈনিক ৩শ থেকে ৪শ কোটি টাকার চাহিদা করছে। এ হিসাবে ২২দিনে কর্মদিবস হলে এক মাসে ব্যাংকগুলোর চাহিদা দাঁড়াচ্ছে ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা। ঈদের আগের মাসে এই চাহিদা দ্বিগুণেরও বেশি হবে। গত ঈদে নগদ অর্থের প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার চাহিদা হয়েছিল বলে জানান তিনি।




