বিজনেসটাইমস২৪.কম
ঢাকা, ২৯ জুলাই:
সময় নেই তাদের। যেন পাল্লাপল্লি করে শাড়ি তৈরীর ধুম লেগে গেছে। ঈদের দিনে ক্রেতাদের হাতে পছন্দের শাড়িটি তুলে দিতে নির্ঘুম রাত কাটা”েছন বেনারসি পল্লীর কারিগররা। ঈদের জন্য পছন্দ মতো শাড়িটি কিনতে এখন ক্রেতারা ছুটছেন ঢাকার মিরপুর ১১ নম্বরে বেনারসি পল্লীতে।
এই বেনারসি পল্লীতে তৈরি হয় ফুলকলি কাতান, দুলহান কাতান, মিরপুরি রেশমি কাতান, মিলেনিয়াম কাতান, বেনারসি কসমস, অরগেন্ড্রি কাতান, প্রিন্স কাতান, রিমঝিম কাতান, টিসু কাতান, মিরপুরি গিনি গোল্ড কাতান, জর্জেট গিনি গোল্ড কাতান, চুনরি কাতানের মতো শাড়ি।
ঈদের মাসেই কারিগররা সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত সময় কাটান। বাড়তি রোজগারের সুযোগও ঘটে এই সময়ে। যে কারিগর যতো বেশি কাজ করবেন ততো উপার্জন করতে পারবেন।
অন্যান্য শাড়ির তুলনায় বেনারসি শাড়ি কিছুটা বৈচিত্র্যময় হওয়ায় এটি সবার মনোযোগ সহজেই আকর্ষণ করে। কারুকাজ, রঙের ব্যবহার, ডিজাইন সবকিছু মিলে এক সময় বেনারসি শাড়ির চাহিদা ছিল আকাশছোঁয়া। বিশেষ করে বেনারসি ছাড়া বিয়ের অনুষ্ঠান কল্পনাও করা যেতো না। ফলে এই শাড়ির বাজার চাঙ্গা হতে শুরু করে এবং আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে নব্বই দশকের শেষ সময় পর্যন্ত ঢাকাই বেনারসির খ্যাতি দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।
এবারের ঈদে বেনারসির নাম, ডিজাইন আর রঙের ক্ষেত্রে এসেছে পরিবর্তন, এসেছে নতুনত্বের ছোঁয়া। হাড্ডি সিল্ক, র-সিল্ক, কাঞ্চি ভরম, গাদে কেনা যাবে ২ হাজার থেকে ৩৭ হাজার টাকার মধ্যে। তবে বেনারসি কাতানের মধ্যে যে শাড়ির ওজন কম, তার দাম একটু বেশি। যারা শাড়ি পরেন না, তাদের জন্য মিলবে সেলাই ছাড়া থ্রি-পিস ২ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে। ঈদের আগে পছন্দমাফিক ফরমায়েশ দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন সালোয়ার-কামিজ।




