দেশী শাড়ির চাহিদা বেশি এবারের ঈদে

বিজনেসটাইমস২৪.কম
, ০৫ আগস্ট, ২০১২:

বিজনেসটাইমস২৪.কম
রাজশাহী, ০৫ আগস্ট:

এবারের ঈদে ভারতীয় শাড়ীর বদলে দেশীয় শাড়ি চাহিদা বেশি। নগরীর মার্কেটগুলোতে এখন নারীরা ভিড় করছেন দেশীয় শাড়ির দোকানগুলোতে। বাজারে ঈদ উপলক্ষে  এসেছে নতুন নতুন ডিজাইনের থ্রিপিস ও শার্টপিস।

ঈদকে সামনে রেখে বাজারে এসেছে কাতান, জামদানি, টাঙ্গাইল শাড়ির নতুন নতুন ডিজাইন। দাম একটু বেশি পড়লেও সবাই দেশীয় শাড়ি কিনছেন।
শাড়ী বিক্রেতা শাহীন আলমের সাথে কথা বলে জানা যায়, শাড়ির মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা কাতান শাড়ির। এ সবের মধ্যে রয়েছে ঝুট কাতান, অপেরা কাতান, মগরা কাতান, সাউথ কাতান ও সালতামা কাতান। প্রকারভেদে প্রতিটি ঝুট কাতান শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩শ’ টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। অপেরা কাতান শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬শ’ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার ২শ’ টাকা পর্যন্ত।

বেনারসি কাতানের চাহিদাও অনেক বেশি। প্রতিটি বেনারসি কাতান প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। বাজারে হরেক রকমের সুতি জামদানি শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। নতুন নতুন ডিজাইনের টাঙ্গাইলের শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫শ’ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার ২শ’ টাকা পর্যন্ত।

থ্রিপিসের থান কাপড়ের মধ্যে এবারে বাজারে চাহিদা বেশি চায়না, জামদানি, কাতান এবং নেটের কাপড়ের। এসব কাপড় প্রতিগজ বিক্রি হচ্ছে ২শ’ ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার ৫শ’ টাকা পর্যন্ত। সুইট ক্লথ স্টোরের বিক্রেতারা জানান, থ্রিপিসের মধ্যে এবার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ‘খুশি’ আর ‘ঝিলিক।’

সাউথ কটন ও জিপসির চাহিদা থাকলেও এবারে থ্রিপিসের মূল জায়গাটি ধরে রেখেছে ‘ঝিলিক।’ এছাড়া পিংকি রাজস্থানী কটন, নিকিস কটন, রানী নেটের থ্রিপিস বেশি বিক্রি হচ্ছে।

Print Friendly

মন্তব্য প্রদান করুন

*


*