বিজনেসটাইমস২৪.কম
ডেস্ক, ০৮ আগস্ট :
সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রসঙ্গে সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব না হলেও কিংফিশার এয়ারলাইনসের মূলধন পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান দেয়া হবে। গত মঙ্গলবার ভারতীয় এ উড়োজাহাজ সংস্থাটির কর্ণধার বিজয় মালিয়া এ কথা জানান। খবর ইকোনমিক টাইমসের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিংফিশারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়ে আলোচনার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করবেন বিজয় মালিয়া। এরই মধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে তিনি এভিয়েশন অথরিটিকে অবহিত করেছেন। যদি এফডিআই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেয়া হয়, তবে মালিয়ার ওপর তহবিল সম্প্রসারণের মতো চাপ বাড়বে বলে জানায় সূত্র। মূলত বিদেশী উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো ভারতে বিনিয়োগ করতে পারবে কি না— এ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
উড়োজাহাজ সংস্থাটি টিকে থাকতে সক্ষম হবে কি না— এ নিয়েও বাড়ছে সংশয়। সংস্থাটির ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৫০০ কোটি রুপি। ঋণকৃত এসব অর্থের অধিকাংশ বেসরকারি ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নেয়া হয়েছে। এর লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার কোটি রুপি। এ কারণে ব্যাংকগুলো ঋণ গ্রহণের বদলে ইক্যুইটি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে কিংফিশারকে।
বিজয় মালিয়া সব সংশয় উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘আমি স্থিতিশীল মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করছি’। যথোপযুক্ত সময়ে তহবিল পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। কিংফিশার আবার তার ঐতিহ্য ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি স্থিতিশীল মুনাফা অর্জন করতে পারবে। এ কারণে আমরা এখনো কর্মীদের ছাঁটাই করিনি। তারা হয়তো কিছু দিনের জন্য বেতন পাবে না কিন্তু আমরা সব সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
যদিও কয়েক প্রান্তিক ধরে কর্মচারীদের বেতন, বিমানবন্দরের ভাড়াসহ অন্যান্য চার্জ দেয়ার মতো বিষয় নিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন মালিয়া। এর আগেও মালিয়া এসব বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও সফল হননি। তিনি বলেন, ‘যদি কর্মচারীরা সমস্যার সম্মুখীন হয়, তবে তাদের উচিত হবে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা। কিংফিশার-সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। কারণ আমি যেকোনো মূল্যে উড়োজাহাজ সংস্থাটিকে মুনাফার মুখ দেখাতে চাই।’




