বিজনেসটাইমস২৪.কম
ডেস্ক, ১১ আগস্ট :
২০১১-১২ অর্থবছরে ভারতের সেলফোন অপারেটর এয়ারটেলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থপণা পরিচালক সুনীল মিত্তালের আর্থিক সুবিধার পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২২ শতাংশ কমে ২১ কোটি ৩০ লাখ রুপিতে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের ঘোষণা অনুযায়ী সব ভাতা ও সুবিধাদি মিলিয়ে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি বার্ষিক ৭০ কোটি রুপি আর্থিক সুবিধা পাওয়ার কথা । খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
মার্চে শেষ হওয়া অর্থ বছরে তার আর্থিক সুবিধার পরিমাণ কমেছে ৬ শতাংশ। আগের অর্থ বছর তিনি পেয়েছিলেন ২৭ কোটি ৫০ লাখ রুপি। ২০০৯-১০ অর্থ বছরে তার বেতন ছিল ২৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি। এর মধ্যে ৯ কোটি ৫৮ লাখ রুপি পান ভাতা হিসাবে। প্রনোদনা বাবদ পেয়েছেন ১১ কোটি ২৫ লাখ রুপি। মিত্তালের ভাতাদি ও অন্যান্য সুবিধার পরিমাণ আগের অর্থ বছরের মতই ৯ কোটি ৫৮ লাখ রুপিতে অপরিবর্তিত রয়েছে। কর্মদক্ষতা সংক্রান্ত প্রণোদনার পরিমাণ অবশ্য আগের বছরের ১৭ কোটি ৮৭ লাখ রুপির চাইতে কমেছে।
গত বছরের আগস্টে মিত্তালের জন্য ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৭০ কোটি রুপির আর্থিক সুবিধার কথা ঘোষণা করে ভারতী এয়ারটেল। তবে ২০১১-১২ অর্থ বছরে যে এর পরিমাণ খুব বেশি হবে না বলে তখনই জানিয়ে দেয়া হয়। মিত্তালের জন্য ঘোষিত আর্থিক সুবিধার মধ্যে বেতন-ভাতাসহ সব আর্থিক সুবিধা অন্তভুক্ত। কর্মদক্ষতা সংক্রান্ত প্রণোদনা ছাড়া এর পরিমাণ হতে পারে বার্ষিক সর্বোচ্চ ২০ কোটি রুপি। তার অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে, ছুটির সময়ও বেতন পাওয়া এবং দায়িত্ব পালনের জন্য খরচ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার সযোগ।
প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক শাখার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও যুগ্ন ব্যবস্থাপণা পরিচালক মনোজ কোহলির বেতন নির্ধারিত হয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ রুপি। তার বেতন দেয়া হয় নেদারল্যান্ডের এয়ারটেলের পরিচালনা থেকে। তিনি সেখানকার ব্যবস্থাপণা পরিচালক হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালকরা দুভাবে আর্থিক সুবিধা পেয়ে থাকেন। নির্ধারিত বেতন ও কর্মদক্ষতা সংক্রান্ত প্রণোদনা। নির্ধারিত বেতন দেয়া হয় মাসিক ভিত্তিতে। আর কর্মদক্ষতা সংক্রান্ত প্রণোদনা দেয়া হয় অর্থ বছরের শেষে।




