কটিয়াদীতে শাড়িতে সুঁচ-সুতা-জরির কাজ করে স্বাবলম্বী নারী

বিজনেসটাইমস২৪.কম
কিশোরগঞ্জ, ১৩ অক্টোবর, ২০১২:

ঈদ ও পূজাকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের নারীরা সুচ সুতার কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে। শাড়ি কাপড়ে সুচ সুতা- জরির কাজ করে এখানকার শত শত পরিবার আজ স্বাবলম্বী।

এবার ঈদে তারা প্রচুর কাজ পেয়েছে। তাদের কাজ করা শাড়ির চাহিদা যেমন বেড়েছে তেমনি দিনদিন বাড়ছে এ কর্মে নিয়োজিত নারীরা সংখ্যাও। এখন তারা  দুবেলা খেতে পারে আর সন্তানদের স্কুলে পাঠাতেও পারে।

উপজেলার বিভিন্ন্ গ্রামে বাড়ির উঠানে ফ্রেম নিয়ে গোল হয়ে বসে কাজ করছেন নারী ও শিশুরা। ঈদ ও পূজার জন্য ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে তারা এখন ব্যস্ত সময় পার করছে। নারীরা নিপুন হাতে সুচ সুতা দিয়ে চুমকি পুঁতি ও জরির কাজ করে চলেছেন।

স্থানীয় এক কারিগর জানায়, এই এলাকার প্রায় প্রতি বাড়ির সামনে বসানো হয় একটি কাঠের ফ্রেম। এ অঞ্চলে শতাধিক ফ্রেম রয়েছে।  প্রতিটি ফ্রেমে ৪ থেকে ৬ জন কাজ করেন। প্রতি ফ্রেম তৈরি করতে খরচ হয় ৭শ’ টাকা । ১ টি শাড়ি তৈরি করতে ৮ থেকে ১০ দিন সময় লাগে। প্রতিটি শাড়ির কাজ মজুরি পাাওয়া যায় ৭৫০ টাকা।

জালাবাজ গ্রামের তসলিমা জানান, শাড়িতে নকশার কাজ করে সে জীবন ধারন করছে। পাশাপাশি ছেলেমেয়েদের লেখাপাড়া ও সংসার চালাচিছ।

তবে তাদের অভিযোগ, সরকার কিংবা কোন এনজিও থেকে ঋন কিংবা সহযোগিতা পাচ্ছে না তারা। পুঁজি হলে তারা এ ব্যবসায় আরও আয় উন্নতি করতে পারতো।

উপজেলা চেয়ারম্যান লায়ন আলী আকবর জানান, প্রয়োজনীয় পুঁজির জন্য ঋন প্রদান ও  এনজিওদের এগিয়ে আসার ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছি। এতে হত দরিদ্র নারীরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন।

মন্তব্য প্রদান করুন

*


*