বিসিক ভবনে হেমন্তমেলা

বিজনেসটাইমস২৪.কম
ডেস্ক, ১৮ অক্টোবর, ২০১২:

প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও হেমন্তমেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। রবিবার থেকে মতিঝিলের বিসিক ভবনে শুরু হয়েছে হেমন্তমেলা ১৪১৯। সেই সাথে একই স্থানে আয়োজন করা হয়েছে ত্রৈমাসিক কারুশিল্প প্রদর্শনী। আয়োজনে শৌখিন মানুষেরা আসছেন প্রতিদিন। মনের মতো করে ঘুরছেন। কেনাকাটা করছেন। আসন্ন ঈদ ও পুজোর কেনাকাটাও এখান থেকে সেরে ফেলার চেষ্টা করছেন তাদের অনেকে।

জানা যায়, বিসিক আয়োজিত এই মেলায় মোট স্টলের সংখ্যা ৬০টি। অধিকাংশ স্টল সাজানো হয়েছে শাড়ি থ্রিপিসসহ বিভিন্ন ধরনের পোশাক দিয়ে। এর পাশাপাশি প্রতিটি স্টলে দেখা মিলছে গ্রামবাংলার গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য নকশিকাঁথা।

মেলায় দেশীয় তাঁতের শাড়িগুলো অন্যরকম আবেদন নিয়ে হাজির হয়েছে দর্শনার্থীদের সামনে। কিছু শাড়িতে যতেœর সঙ্গে হাতের কাজ করা হয়েছে। আর জামদানির আবেদন তো চিরকালের। সেগুলোও খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছেন দর্শনার্থীরা। ব্লক, বাটিক, স্ক্রিনপ্রিন্ট ইত্যাদি কাজগুলোও চমৎকার।

এছাড়াও মেলায় বরাবরের মতোই রয়েছে পাট ও পাটজাত পণ্য। পাটের সাধারণ ব্যবহারের পাশাপাশি নতুন নতুন ব্যবহার দেখা যাচ্ছে মেলায়। আছে চামড়া, হস্ত ও কুটির শিল্পজাত নানা পণ্য।

তবে দর্শনার্থীদের জন্য মেলায় আছে বিভিন্ন খাদ্যজাত সামগ্রীও। আধুনিক পদ্ধতিতে উৎপাদিত মধু সন্দেহ ছাড়া কেনার দারুণ সুযোগটিও পাওয়া যাচ্ছে এখানে।

ভবনের দ্বিতীয় তলায় রয়েছে কারুশিল্প প্রদর্শনী। এখানে বড় জায়গা জুড়ে আছে কাঁসা পিতল শিল্পের নিদর্শন। বিভিন্ন কক্ষে সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয়েছে এসব শিল্পকর্ম। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার পুতুলেরও বড় সংগ্রহ বিসিক ভবনে। হাতে তৈরি এসব পুতুল বিভিন্ন রঙের, ঢঙের। দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়।

বার্ষিক এ আয়োজন সম্পর্কে বিসিকের প্রধান নকশাবিদ এসএম শামসুদ্দীন বলেন, শহুরে প্রজন্মকে নিজ দেশ ও ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা দিতে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলা আজ বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে।

মন্তব্য প্রদান করুন

*


*